১০০% জয়ের ম্যাচ ড্র, যাকে দুষলেন অধিনায়ক রাহানে

কানপুর টেস্ট ভারতের হাত থেকে বেরিয়ে গেল। ভিভিএস লক্ষণের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটার অজিঙ্কা রাহানের অধিনায়কত্বের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁর মতে আরও আগে দ্বিতীয় ইনিংসের ঘোষণা করে দেওয়া উচিত ছিল।

তবে রাহানে কিন্তু সেটা মনে করেন না। বরং তাঁর দাবি তিনি সঠিক সময়েই ইনিংস ঘোষণা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, তাঁর আরও দাবি টিম ইন্ডিয়ার তিন স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজা ও অক্ষর প্যাটেল শেষ দিন লো ও স্লো হয়ে যাওয়া উইকেটে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের টেল এন্ডারদের দুরন্ত লড়াই ও আলো নিয়ে সমস্যার জন্যই কানপুরের টেস্ট ড্র হল।

ম্যাচের শেষে রাহানে বলেন, “আমার মতে সঠিক সময় ইনিংস ঘোষণা করেছিলাম। আমরা এই টেস্ট জেতার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। প্রথম সেশনে ওদের ব্যাটাররা দাপট দেখালেও দ্বিতীয় সেশনে আমরা কামব্যাক করেছিলাম।

এই পিচেও জোরে বোলাররা ভাল বোলিং করেছে। চতুর্থ দিন শ্রেয়স-ঋদ্ধি পার্টনারসশিপ গড়ে তোলার পর ঋদ্ধি ও অক্ষর ফের বড় রান তুলেছিল। দলের স্কোরবোর্ডকে সুরক্ষিত রাখার জন্য ব্যাট করার দরকার ছিল।

তাছাড়া আমরা চতুর্থ দিন চার-পাচ ওভার বোলিং করতে চেয়েছিলাম। সেটাই তো করেছি। তাই ইনিংস ঘোষণা করতে দেরি হয়েছে বলে মনে হয় না।”

শেষ বেলায় ভারতের জয়ের মাঝে রুখে দাঁড়ালেন দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূত রচিন রবীন্দ্র ও আজাজ প্যাটেল। ৯১ বল খেলে ক্রিজ কামড়ে পড়ে থাকলেন ওয়েলিংটনের ২২ বছরের অলরাউন্ডার।

তাঁর ১৮ রানের অপরাজিত ইনিংসই ভারতকে সিরিজে এগিয়ে যেতে দিল না। অন্য়দিকে কঠিন পরিস্থিতিতে রচিনের সঙ্গে জুটি বেঁধে ২৩টি বল তিনি ধরে ধরে খেলে মাত্র ২ রান করে ম্যাচ বাঁচালেন।

দিনের শেষে আকাশের অবস্থা বেশ ভাল থাকলেও ৯৮ ওভারের পরেই খেলা শেষ করার সিদ্ধান্ত নেন মাঠে থাকা দুই আম্পায়ার। সেটা নিয়ে ভারতীয় দলের তরফ থেকে প্রকাশ্যে ক্ষোভও দেখানো হয়েছিল।

কী কথা হয়েছিল মাঠে থাকা দুই আম্পায়ারদের সঙ্গে? রাহানে বললেন, “আমার মনে হয় না আমি আলাদা কিছু করেছি। আলো নিয়েই দুই আম্পায়ারের সঙ্গে আমরা কথা বলছিলাম।

ফিল্ডিং করা দল হিসেবে আমরা আরও বেশি ওভার বোলিং করতে চেয়েছিলাম। অন্যদিকে ওরা পড়ন্ত বিকেলে ওরা ব্যাট করতে চাইছিল না। এটাই তো স্বাভাবিক। আম্পায়ার তাদের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেটা নিয়ে আমার বিশেষ কিছু বলার নেই।”

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *