দু’দিকেই বল সুইং করিয়ে আনন্দ পাই, বড় বয়ান দিলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয় ভারতের আগেই হয়ে গিয়েছিল। ফলে ইন্দোরে তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচটি ছিল স্রেফ নিয়মরক্ষার। আর সেই ম্যাচেই এক হাই স্কোরিং ম্যাচের সাক্ষী থাকল ক্রিকেট সমর্থকেরা। ম্যাচে ৯০ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় ভারত।

এ দিন ভারতের হয়ে নতুন বল হাতে বোলিংয়ের সূচনা করেন ভারতীয় অলরাউন্ডার হার্দিক পাণ্ডিয়া। বল হাতে এ দিন ভারতের হয়ে শুধু আক্রমণই শুরু করেননি হার্দিক, একটি উইকেটও তুলে নেন তিনি।

ওপেনার ফিন অ্যালেনকে ফেরান তিনি। পাশাপাশি বলকে ভালো মুভও করিয়েছেন। হার্দিক পাণ্ডিয়া জানিয়েছেন, ‘নতুন বলে বোলিং উপভোগ করি, দু’দিকেই বল সুইং করিয়ে আনন্দ পাই।’

ম্যাচ শেষে হার্দিক পাণ্ডিয়া বলেছেন, ‘নতুন বলে বোলিং করাটা উপভোগ করি। দু’দিকেই বল সুইং করিয়ে আনন্দ পাই। আমি সম্প্রতি দু’দিকেই বল সুইং করানো শুরু করেছি। এটা আমাকে সাহায্য করেছে বোলিং করতে।

আমি ক্রিকেটে ফিরে আসার পর থেকে আমার লাইন এবং লেন্থ নিয়ে কাজ করেছি। যা আমাকে বল সুইং করাতে সাহায্য করেছে। এখন আমি বল সিম করাতেও পারি। আগে আমার যে বোলিং অ্যাকশন ছিল, তাতে করে বল লেগের দিকে চলে যেত।

আমি সিমকে ব্যবহার করতে পারতাম না। এখন আমি বলকে সোজা লাইনে রাখতে পারি। বলকে বাইরের দিকেও সুইং করাতে পারি। বিষয়টা আমার খুব ভালো লাগছে।আমার ওয়ার্কলোড ম্যানেজ করাটা নিয়ে একটা পরিকল্পনা ছিল।’

তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘আমার এই মুহূর্তে বেশ ভালো উপলব্ধি রয়েছে। খেলাটা খেলার বিষয়ে আমি এই মুহূর্তে সম্পূর্ণ ভাবে ফিট রয়েছি। আমি খুব খুশি যে, শার্দুল ঠাকুর আমার উপর আস্থা রেখেছে। আমাদের পার্টনারশিপটা আমি খুব উপভোগ করি।

আমি খুশি যে, আজকে ও আমার কথা শুনে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে। এই পিচে বেশ গতি ছিল। পিচে যদি একটু ঘাস থাকে বিষয়টা খুব ভালো হয়। তার পরেই বলা যায় পিচটায় ৩৫০-৩৬০ রান করা যায়।’ উল্লেখ্য, ম্যাচে হার্দিক ৬ ওভার বল করে ৩৭ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *