ঝোড়ো সেঞ্চুরির পাশাপাশি বল হাতেও ৩ উইকেট নিয়ে ক্রিকেটমহলের নজর কেড়ে নিলেন এই নাইট তারকা

থামানো যাচ্ছে না বেঙ্কটেশ আইয়ারকে। সেই আইপিএল থেকে স্বপ্নের দৌড় জারি কেকেআরের তারকা ওপেনারের। আইপিএলের পর মুস্তাক আলি, টিম ইন্ডিয়া ঘুরে এবার বিজয় হাজারে ট্রফিতে রং ছড়াচ্ছে আইয়ারের ব্যাট।

কেকেআরের জার্সিতে গত আইপিএলের দ্বিতীয়ার্ধে চমকে দেওয়া আবির্ভাবে ভারতীয় ক্রিকেটমহলের নজর কেড়ে নেন বেঙ্কটেশ। পরে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন তিনি। সেই সুবাদে টিম ইন্ডিয়ার টি-২০ স্কোয়াডে জায়গা করে নেন আইয়ার। জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক সিরিজে আহামরি কিছু করে দেখিয়েছেন এমনটা নয়, তবে ইঙ্গিত দিয়েছেন ভবিষ্যতের তারকা হয়ে ওঠার।

এবার পুনরায় ঘরোয়া ক্রিকেটের আঙিনায় ফিরে এসেই সেঞ্চুরি করলেন আইয়ার। মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিজয় হাজারে ট্রফির প্রথম ম্যাচে ২টি ছক্কার সাহায্যে ৫ বলে ১৪ রান করে আউট হন বেঙ্কটেশ। ১০ ওভার বল করে ৫৯ রানের বিনিময়ে তুলে নেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের উইকেট। যদিও মধ্যপ্রদেশকে হারতে হয় সেই ম্যাচে।

এবার কেরলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে ১১২ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে ক্রিজ ছাড়েন নাইট তারকা। ৮৪ বলের ঝোড়ো ইনিংসে তিনি ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন। এছাড়া শুভম শর্মা করেন ৮২ রান। অভিষেক ভান্ডারি (৪৯) ও রজত পতিদার (৪৯) উভয়েই নিশ্চিত হাফ-সেঞ্চুরি মাঠে ফেলে আসেন। মধ্যপ্রদেশ প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটের বিনিময়ে ৩২৯ রান তোলে।

কেরলের হয়ে ৫৯ রানে ৩টি উইকেট নেন বিষ্ণু বিনোদ। ৬২ রানে ২টি উইকেট নিয়েছেন বাসিল থাম্পি। উইকেট পাননি জলজ সাক্সেনা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে কেরল ৪৯.৪ ওভারে ২৮৯ রানে অল-আউট হয়ে যায়। ওপেনার রোহন করেন ৬৬ রান। ৬৬ রান করেছেন সচিন বাবি। মহম্মদ আজহারউদ্দিন ও জলজ সাক্সেনা উভয়েই ৩৪ রান করে যোগ করেন দলের ইনিংসে। ক্যাপ্টেন সঞ্জু স্যামসন ১৮ রান করে আউট হন। ৫৫ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন বেঙ্কটেশ। ৪০ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জেতে মধ্যপ্রদেশ।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *